বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ১২:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী রক্ষার লড়াই: সাংবাদিক মুনীর চৌধুরীর একক প্রচেষ্টায় বিপিসি চট্টগ্রামেই থাকছে। বিতর্কের মুখেও বহাল তবিয়তে সিএমপির সাবেক এডিসি আসিফ মহিউদ্দীন: এখন মৌলভীবাজারের ভারপ্রাপ্ত এসপি। জনস্বার্থে উন্নয়ন প্রকল্পে রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক সুবক্তগিন-এর দক্ষ প্রশাসনিক নেতৃত্বে :দোহাজারী কক্সবাজার রেলে সাশ্রয় ৬৬৮২ কোটি টাকা। সাহসী ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতায় লন্ডন প্রবাসী সাংবাদিক মুনীর চৌধুরীকে ‘নতুন বাংলাদেশ সম্মাননা’ প্রদান চট্টগ্রাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে: নানামুখী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দৃশ্যমান মেগা প্রকল্প:যানজট নিরসন ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন. চট্টগ্রাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের প্রকল্প পরিচালক মাহফুজুর রহমান ‘ইন্টারন্যাশনাল মিডিয়া সম্মাননা’ পাচ্ছেন. আনোয়ারা উপজেলা চেয়ারম্যান পদে এমডিএইচ রাজু’কে দেখতে চান এলাকাবাসী আপসহীন নেতৃত্ব: ‘সচেতন চট্টলাবাসী’র ব্যানারে সাংবাদিক মুনীর চৌধুরীর অদম্য সাহসে রাজপথ থেকে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর পর্যন্ত সফল আন্দোলন। প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি চট্টগ্রামকে পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক রাজধানী বাস্তবায়নসহ ১২ দফা দাবিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট স্মারকলিপি প্রদান করেছে ‘সচেতন চট্টলাবাসী’। বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রাম “জাতীয় অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র, উন্নয়নের অগ্রযাত্রার নেতৃত্বে চট্টগ্রাম” একটি গবেষণাভিত্তিক নাগরিক, অর্থনৈতিক ও উন্নয়নমূলক উদ্যোগ

বিতর্কের মুখেও বহাল তবিয়তে সিএমপির সাবেক এডিসি আসিফ মহিউদ্দীন: এখন মৌলভীবাজারের ভারপ্রাপ্ত এসপি।

Reporter Name / ৪২ Time View
Update : শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬

বিতর্কের মুখেও বহাল তবিয়তে সিএমপির সাবেক এডিসি আসিফ মহিউদ্দীন: এখন মৌলভীবাজারের ভারপ্রাপ্ত এসপি।

রাতের ভোটের’ সহযোগী আসিফ মহিউদ্দীন বহাল তবিয়তে, জেলা পুলিশের শীর্ষ পদে বসানোয় ক্ষোভ:বিতর্কের মুখেও বহাল তবিয়তে সিএমপির সাবেক এডিসি আসিফ মহিউদ্দীন: এখন মৌলভীবাজারের ভারপ্রাপ্ত এসপি।
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে মাঠপর্যায়ে প্রভাবশালী ও বিতর্কিত ভূমিকা পালন করা পুলিশ কর্মকর্তাদের অন্যতম হিসেবে আলোচিত ৩১তম বিসিএস ক্যাডারের কর্মকর্তা আসিফ মহিউদ্দীন, পিপিএম বর্তমানে নতুন কর্মস্থলে বেশ প্রভাবশালী অবস্থানে রয়েছেন। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের সাবেক এই অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) বর্তমানে মৌলভীবাজার জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) এবং একই সাথে ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার (এসপি) হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন।
রাতের ভোট ও বিগত সরকারের পক্ষে ভূমিকার অভিযোগ:
অনুসন্ধানে জানা যায়, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে মাঠপর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের যে অংশটি একতরফা ও বিতর্কিত নির্বাচনগুলো সফল করতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ভূমিকা রেখেছিলেন, আসিফ মহিউদ্দীন তাদের অন্যতম ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে ২০১৮ ও ২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে তৎকালীন ক্ষমতাসীন দলের রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়ন এবং বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদের দমনে কাউন্টার টেররিজম ও বিশেষায়িত ইউনিটগুলোর অতি-উৎসাহী ভূমিকার সাথে তার সম্পৃক্ততার বিষয়ে পুলিশ বিভাগের ভেতরে ও বাইরে তীব্র সমালোচনা রয়েছে। জনসাধারণের কাছে “রাতের ভোট” হিসেবে পরিচিত নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সিএমপির কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের সাইবার ক্রাইম ও সোয়াট (SWAT) কমান্ডার হিসেবে ডিজিটাল নজরদারি ও মাঠপর্যায়ের অপারেশনে তার বিশেষ প্রভাব ছিল বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা যায়।
নতুন কর্মস্থলে দায়িত্ব বৃদ্ধি ও প্রশাসনিক রদবদল:
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর পুলিশের বিতর্কিত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠলেও আসিফ মহিউদ্দীনের ক্ষেত্রে এর ব্যতিক্রম দেখা গেছে। গত ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে তাকে মৌলভীবাজার জেলায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হিসেবে পদায়ন করা হয়। পরবর্তীতে ২০২৬ সালের মে মাসে জেলাটির নিয়মিত পুলিশ সুপারকে প্রত্যাহার করা হলে আসিফ মহিউদ্দীনকে জেলার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপারের (Acting SP) মতো অত্যন্ত সংবেদনশীল ও শীর্ষ পদে আসীন করা হয়।
ভারপ্রাপ্ত এসপির দায়িত্ব পাওয়ার পর গত জুন ২০২৬-এ তিনি মৌলভীবাজার জেলার আইনশৃঙ্খলা ও পুলিশ প্রশাসনে ব্যাপক রদবদল আনেন। তাঁর একক আদেশে কুলাউড়া, কমলগঞ্জ, শ্রীমঙ্গল থানা এবং জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)-র ওসিসহ মোট ৭ জন পুলিশ পরিদর্শককে একযোগে বদলি ও নতুন পদায়ন করা হয়, যা জেলার পুলিশ প্রশাসনে তাঁর একক নিয়ন্ত্রণ ও প্রভাবের বিষয়টি স্পষ্ট করে।
অফিশিয়াল তদন্ত বা মামলার স্থবিরতা:
বিগত সরকারের দোসর হিসেবে কাজ করা অনেক পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ফৌজদারি মামলা বা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলেও আসিফ মহিউদ্দীনের বিরুদ্ধে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের পাবলিক রেকর্ডে তাঁর বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট বিভাগীয় তদন্তের অগ্রগতি দেখা যায়নি। রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগগুলো সবসময়ই আড়ালে রয়ে গেছে।
সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকদের মতে, বিগত ফ্যাসিবাদের পক্ষে কাজ করা কর্মকর্তাদের এভাবে গুরুত্বপূর্ণ জেলাগুলোতে ভারপ্রাপ্ত শীর্ষ পদে বহাল রাখা এবং তাদের মাধ্যমে বড় ধরনের প্রশাসনিক রদবদল পরিচালনা করা মাঠপর্যায়ের সাধারণ পুলিশ সদস্যদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ও ক্ষোভের সৃষ্টি করছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Theme Created By Raytahost